Site icon রাঙ্গামাটি জিলাইভ | truth alone triumphs

রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত্যু তহবিলের অর্থ বিতরণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ

রাঙামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে মৃত সদস্য পরিবারের মাঝে মৃত্যু তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হয়। রবিবার দুপুরে রাঙামাটি চেম্বার এন্ড কমার্স কার্যালয়ে চেক বিতরণ করা হয়।

 

রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত্যু তহবিলের অর্থ বিতরণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ

এসময় সমিতির উদ্যোগে ১৪টি বিভিন্ন ঘটনায় মৃত চালক পরিবারের মাঝে এক লাখ টাকা করে চেক, বিবাহ উপযুক্ত ছেলে মেয়েদের জন্য ২৭ পরিবারকে ৫ হাজার করে টাকা, লেখাপড়ার জন্য ৬১টি পরিবারকে শিক্ষাবৃত্তির তিন হাজার করে টাক মোট ১৫ লক্ষ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮৪ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোতাসেম বিল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির সভাপতি পরেশ মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু।

 

 

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কাপ্তাই সার্কেল) মো. জাহেদুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ওমর ফারুক, রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ্ব একেএম মকছুদ আহমেদ, জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মামুনুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম, রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম।

এসময় বক্তারা বলেন, যারা অটোরিক্সা চালায় তারা খুবই দরিদ্র। যারা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চলে। এই অর্থ দিয়ে পরিবারের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া ও বিয়ে দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক চালক সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানা ঘটনায় মৃত্যু হলে সেই পরিবার না খেয়ে জীবনযাপন করেন। সেই দিকটার কথা চিন্তা করে সমিতি করা হয়েছিলো। আজ আমরা সমিতির পক্ষ থেকে সদস্যদের বিপদে যাতে পাশে দাঁড়াতে পারায় আমরা আনন্দিত।

সড়কের শৃঙ্খলা মেনে গাড়ি চালানোর ওপর জোর দিয়ে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোতাসেম বিল্লাহ বলেন, সড়কে নিয়ম না মানায় শহরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। পর্যটন শহর হিসেবে সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক পরিবারকে এই আর্থিক সাহায্য করেই যাতে দায়িত্বটা শেষ না করি।

Exit mobile version