আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় রাঙ্গামাটি জেলার প্রতিবেদন, রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত । রাঙামাটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার প্রশাসনিক সদর দফতর। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজধানী শহরও। শহরটি ২২°৩৮’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°১২’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এবং এর উচ্চতা ১৪ মিটার (৪৬ ফু)। জেলা প্রশাসন জেলা রাঙ্গামাটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। চট্টগ্রাম থেকে ৭৭ কিলোমিটার (৪৮ মা) দূরে রাঙ্গামাটি। কাপ্তাই হ্রদের পশ্চিম তীরে এই জনপদটি অবস্থিত। রাঙ্গামাটি একটি পর্যটন গন্তব্য কারণ এটির প্রাকৃতিক দৃশ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, হ্রদ,উদ্ভিদ এবং প্রাণীজগৎ, দেশীয় যাদুঘর, ঝুলন্ত সেতু ইত্যাদি রয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলার প্রতিবেদন:-
- বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২১-২০২২ পিডিএফ ডাউলনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
- তথ্য কমিশনের ২০২০ সালে বাষিক প্রতিবেদন পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২০-২০২১ পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
রাঙ্গামাটি জেলার সাধারণ ইতিহাস
ব্রিটিশরা আগমনের পূর্বে কার্পাস মহল ছিল ত্রিপুরা, মুঘল, চাকমা ও আরাকানের রাজাদের যুদ্ধক্ষেত্র। চাকমা রাজা বিজয়গিরি রাজ্য জয় করতে করতে এই অঞ্চল জয় করে নেন ও রাজ্য স্থাপন করে। ১৬৬৬ সালে এই অঞ্চলের কিছু অংশে মুঘলদের অনুপ্রবেশ ঘটে এবং চাকমা রাজার কাছে পরাজিত হয়। এই যুদ্ধে মুঘলদের দুইটি কামানের মধ্যে ”’ফতেহ্ খাঁ”’ নামে একটি কামান চাকমা রাজার হস্তগত হয়।
১৭৬০-৬১ সালে ইংরেজরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অঞ্চলে প্রবেশ করে।। ১৭৩৭ সালে চাকমা রাজা শের মোস্তা খান মুঘলদেরকে পরাজিত করে এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিয়াউর রহমান সরকার আশির দশকে এই অঞ্চলে চার লক্ষ ভূমিহীন বাঙালীকে পুনর্বাসিত করেন। বর্তমানে তারাও এই অঞ্চলের অবিচ্ছেদ্য জনজাতিতে পরিণত হয়েছে। বাঙালী ছাড়াও এ অঞ্চলে ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষ এখানে বসবাস করেন।

