রাঙ্গামাটি হ্রদে পানি নেই, নৌ চলাচলে কমেছে পর্যটক

দেশ-বিদেশের হাজারও পর্যটক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর বেড়াতে আসেন রাঙ্গামাটিতে। কিন্তু ইদানিং পর্যটকের উপস্থিতি কমে গেছে । এর কারন হচ্ছে শুষ্ক মৌসুমে হ্রদে পানি না থাকায় নৌ চলাচলে দেখা দিয়েছে সমস্যা।

 

রাঙ্গামাটি হ্রদে পানি নেই, নৌ চলাচলে কমেছে পর্যটক

 

রাঙ্গামাটি হ্রদে পানি নেই, নৌ চলাচলে কমেছে পর্যটক

হ্রদে পানি না থাকার কারণে দিনদিন অচল হয়ে পড়ছে রাঙ্গামাটি। এতে করে বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেখানকার বাসিন্দা। যাত্রীরা পড়ছে চরম ভোগান্তি।

এ প্রসঙ্গে ট্যুরিস্ট বোট চালক ইমরান হোসেন বলেন, ‘আগে সপ্তাহের অন্তত পাঁচদিন ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া থাকতো। কিন্তু এখন হ্রদে পানি না থাকার কারণে সপ্তাহে দুইটা ভাড়াও পাচ্ছি না। অনেক সপ্তাহ তো কোনো ভাড়া নেই বলে বসে থাকতে হয় ।’

 

রাঙ্গামাটি হ্রদে পানি নেই, নৌ চলাচলে কমেছে পর্যটক

 

তিনি আরও বলেন, পর্যটকরা মূলত এখানে আসেন হ্রদে ঘুরে বেড়াতে। কিন্তু এখন হ্রদে পানি না থাকার কারণে পর্যটকরা খুব বেশি সেখানে ঘুরতে আসছে না।

আরেক বোটচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘হ্রদে পানি নেই, ঝরনাও শুকিয়ে গেছে। তাহলে পর্যটক কেন আসবে এখানে? তাছাড়া বোট চালানো এখন বেশ কষ্টের। পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বেশকিছু ডুবোচর ভেসে উঠেছে। প্রায় সময় বোট আটকে যায়।’

পর্যটন বোটঘাট ইজারাদার রমজান আলী বলেন, এ বছর হ্রদে পানি না থাকার কারনে ঈদের সময় এবং ঈদের পরে পর্যটকের আনাগোনা খুবই কম ছিল। এর কারণ হচ্ছে হ্রদে পানি নেই, তারপর ঝরণাও শুকিয়ে গেছে। সারাদিনে ৩-৪টি বোট ভাড়া হয়। বেশিরভাগ সময় সারাদিন বসে থাকি।

এদিকে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, মৌসুমের এ সময়ে কাপ্তাই হ্রদে পানি থাকার কথা ৮৬ এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। অথচ বর্তমানে আছে ৭৬ এমএসএল। অর্থাৎ পাঁচ ফুট পানি কম রয়েছে কাপ্তাই হ্রদে।